বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রিয়ায় যাওয়ার চেকলিস্ট
বৈধ পথে অস্ট্রিয়ায় কাজে যেতে চাইলে, কাউকে টাকা দেওয়ার আগে এই তালিকা মিলিয়ে নিন।

সবচেয়ে জরুরি কথা
চাকরি, নিয়োগকর্তা, ভিসা এবং টাকা জমা দেওয়ার শর্ত স্বাধীনভাবে যাচাই না করে কোনো বড় অঙ্কের টাকা দেবেন না। এজেন্সির লাইসেন্স থাকলেই তাদের অস্ট্রিয়ার চাকরির অফারটি বৈধ প্রমাণিত হয় না।
এক নজরে এই দেশ
ঝুঁকি: মাঝারি — যাচাই জরুরি- অঞ্চল
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন · শেনজেন
- পারমিট / ভিসা
- Red-White-Red Card (ঘাটতি পেশা / Skilled Workers in Shortage Occupations)
- নিয়োগ যেভাবে হয়
- ঘাটতি পেশার তালিকায় নিজের কাজ আছে কিনা দেখা → সনদ ও অভিজ্ঞতা জোগাড় → অস্ট্রিয়ান নিয়োগকর্তার লিখিত অফার → আবেদন (AMS যাচাই করে) → D ভিসা → BMET ছাড়পত্র
- কোথায় আবেদন
- নয়াদিল্লির অস্ট্রিয়ান দূতাবাস বাংলাদেশের দায়িত্বে; জমা সাধারণত VFS-এর মাধ্যমে — যাচাই করুন
- প্রচলিত মোট খরচ
- ৳৫–১০ লাখ (আনুমানিক)
- প্রচলিত বেতন
- আনুমানিক €২,১০০–২,৮০০/মাস (গ্রস); আইনি ন্যূনতম মজুরি নেই — কালেক্টিভ চুক্তির হার মানতে হয়
- সময়
- ৮–১৮ মাস (ভাষা শেখাসহ)
- ভাষা
- জার্মান — পয়েন্টে বড় সুবিধা; কাজে প্রায় সবসময় লাগে
- প্রচলিত খাত
- ইলেকট্রিশিয়ান · ওয়েল্ডিং/মেটাল · প্লাম্বিং/ইনস্টলেশন · কেয়ার/নার্সিং
খরচ ও বেতন আমাদের আনুমানিক হিসাব—অফার, কাজ ও সময় অনুযায়ী বদলায়। এটি চাকরি, ভিসা বা বেতনের নিশ্চয়তা নয়।
১. দালালকে টাকা দেওয়ার আগে
যা যাচাই করবেন০/২৮
আপনার টিক চিহ্ন শুধু এই ফোন বা কম্পিউটারের ব্রাউজারে থাকে।
২. সরকারি ওয়েবসাইটে মিলিয়ে নিন
বাংলাদেশ
- BMETলাইসেন্সপ্রাপ্ত রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা, এজেন্সির সরকারি লাইসেন্স নম্বর (RL নম্বর), স্ট্যাটাস ও মেয়াদ; বহির্গমন ছাড়পত্রbmet.gov.bd
- Ami Probashiকর্মী নিবন্ধন, BMET ক্লিয়ারেন্স ও স্মার্ট কার্ডের অনলাইন প্রক্রিয়াwww.amiprobashi.com
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সরকার-নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয়, নোটিশ ও অভিযোগের তথ্যprobashi.gov.bd
- BOESLসরকারি রিক্রুটিং প্রতিষ্ঠান — G2G (যেমন কোরিয়া EPS, জাপান) বিজ্ঞপ্তিboesl.gov.bd
গন্তব্য দেশ
- Migration.gv.atRed-White-Red Card ও পয়েন্টের নিয়মwww.migration.gv.at/en/
- Shortage occupations (Migration.gv.at)ঘাটতি পেশার তালিকা ও শর্তwww.migration.gv.at/en/types-of-immigration/permanent-immigration/skilled-workers-in-shortage-occupations/
- AMSসরকারি কর্মসংস্থান সংস্থাwww.ams.at
- Austrian Embassy New Delhiবাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত দূতাবাস — ভিসাwww.bmeia.gv.at/en/austrian-embassy-new-delhi/
- Work in Austriaসরকারি দক্ষ কর্মী পোর্টালwww.workinaustria.com/en/
মনে রাখবেন, শুধু অনলাইন আবেদনের স্ক্রিনশট বা এজেন্সির দেখানো PDF অনুমোদনের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। সরকারি পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করুন।
৩. এই লক্ষণগুলো দেখলে টাকা দেওয়া বন্ধ রাখুন
বিপদের লক্ষণ
- “১০০% ভিসা গ্যারান্টি” বা “কোনো রিজেকশন হয় না”।
- নিয়োগকর্তার নাম গোপন রাখা।
- যাচাইয়ের সুযোগ না দিয়ে দ্রুত টাকা দিতে চাপ দেওয়া।
- শুধু WhatsApp-এ কথা, কিন্তু লিখিত চুক্তি নেই।
- ভিজিট/ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে কাজ শুরু করতে বলা।
- অনুমোদন বা রিফান্ডের প্রমাণ না দিয়ে বারবার অতিরিক্ত টাকা চাওয়া।
- “সিজনাল/হোটেল ভিসা” বিক্রি — অস্ট্রিয়ার সিজনাল কোটা ছোট এবং সাধারণত আগে কাজ করা কর্মীরা পান।
- ভাষা ও সনদ ছাড়াই “নিশ্চিত Red-White-Red Card”।
৪. দালালকে এই মেসেজটি পাঠাতে পারেন
কপি করে WhatsApp বা মেসেজে পাঠান
অস্ট্রিয়ার ওয়ার্ক পারমিট প্রসেস শুরু করার আগে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে চাই: ১. অস্ট্রিয়ার নিয়োগকর্তার কোম্পানির নাম, ঠিকানা ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর কী? ২. চাকরির অফার ও স্বাক্ষরিত চুক্তি কি যাচাই করতে পারব? ৩. Red-White-Red Card (ঘাটতি পেশা / Skilled Workers in Shortage Occupations)-এর জন্য কোন প্রক্রিয়ায় আবেদন হবে? ৪. সরকারি আবেদন নম্বর বা অনলাইনে যাচাই করার প্রমাণ দেবেন কি? ৫. মোট খরচ, ধাপে ধাপে পেমেন্ট এবং ভিসা না হলে রিফান্ডের শর্ত কী? ৬. বাংলাদেশ থেকে আগে আপনাদের মাধ্যমে সফলভাবে অস্ট্রিয়ায় গেছেন—এমন কর্মীর রেফারেন্স দিতে পারবেন কি? সব তথ্য ও চুক্তি যাচাই করার পরই পেমেন্টের সিদ্ধান্ত নেব।
আমাদের পরামর্শ
কোনো এজেন্সিকে টাকা দেওয়ার আগে তাদের নাম, সরকারি লাইসেন্স নম্বর (RL নম্বর), অস্ট্রিয়ার কোম্পানির নাম এবং মোট প্যাকেজের মূল্য সংগ্রহ করুন। এগুলো দিয়ে আপনি নিজে একে একে ঝুঁকি যাচাই করতে পারবেন—অথবা আমাদের পাঠালে আমরা আপনার সঙ্গে যাচাই করব।
এজেন্সি যাচাই করাতে আমাদের জানান