মূল তথ্যে যান
BangladeshGeorgiaফ্রি যাচাই তালিকা

বাংলাদেশ থেকে জর্জিয়ায় যাওয়ার চেকলিস্ট

বৈধ পথে জর্জিয়ায় কাজে যেতে চাইলে, কাউকে টাকা দেওয়ার আগে এই তালিকা মিলিয়ে নিন।

সবচেয়ে জরুরি কথা

চাকরি, নিয়োগকর্তা, ভিসা এবং টাকা জমা দেওয়ার শর্ত স্বাধীনভাবে যাচাই না করে কোনো বড় অঙ্কের টাকা দেবেন না। এজেন্সির লাইসেন্স থাকলেই তাদের জর্জিয়ার চাকরির অফারটি বৈধ প্রমাণিত হয় না।

নতুন সতর্কতা

জর্জিয়াকে প্রায়ই “ইউরোপে ঢোকার সহজ পথ” বলে বিক্রি করা হয় — এটি সত্য নয়। বেতন কম; ২০২৬-এর নতুন ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কাজ করা অবৈধ।

এক নজরে এই দেশ

ঝুঁকি: বেশি — প্রতারণার অভিযোগ বেশি
অঞ্চল
ইইউ-র বাইরের ইউরোপ
পারমিট / ভিসা
ওয়ার্ক পারমিট (রাইট টু ওয়ার্ক) + শ্রম রেসিডেন্স — রাষ্ট্রীয় কর্মসংস্থান সংস্থা
নিয়োগ যেভাবে হয়
নিয়োগকর্তার চুক্তি → নিয়োগকর্তা labourmigration.moh.gov.ge-তে ওয়ার্ক পারমিট আবেদন → অনুমোদন → D1 (কাজের) ভিসা → BMET ছাড়পত্র → পৌঁছে রেসিডেন্স
কোথায় আবেদন
D1 ভিসা: geoconsul.gov.ge-তে নিবন্ধন করে জর্জিয়ার দূতাবাসে সাক্ষাৎ। ঢাকায় দূতাবাস নেই — কোন দূতাবাস (সম্ভবত নয়াদিল্লি) যাচাই করুন। ই-ভিসা কাজের জন্য নয়
প্রচলিত মোট খরচ
৳৩–৭ লাখ (আনুমানিক)
প্রচলিত বেতন
কার্যকর আইনি ন্যূনতম মজুরি নেই; আনুমানিক GEL ৮০০–১,৫০০/মাস
সময়
২–৪ মাস
ভাষা
জর্জিয়ান/রুশ সহায়ক; ইংরেজি সীমিত
প্রচলিত খাত
নির্মাণ · হসপিটালিটি · ওয়্যারহাউস/ডেলিভারি

খরচ ও বেতন আমাদের আনুমানিক হিসাব—অফার, কাজ ও সময় অনুযায়ী বদলায়। এটি চাকরি, ভিসা বা বেতনের নিশ্চয়তা নয়।

১. দালালকে টাকা দেওয়ার আগে

যা যাচাই করবেন০/২৮

১. দালাল ও এজেন্সি যাচাই

১. দালাল ও এজেন্সি যাচাই

০/৪
২. জর্জিয়ার চাকরি যাচাই

২. জর্জিয়ার চাকরি যাচাই

০/৬
৩. ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা

৩. ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা

০/৭
৪. টাকা ও চুক্তি

৪. টাকা ও চুক্তি

০/৬
৫. যাত্রার আগে

৫. যাত্রার আগে

০/৫

আপনার টিক চিহ্ন শুধু এই ফোন বা কম্পিউটারের ব্রাউজারে থাকে।

২. সরকারি ওয়েবসাইটে মিলিয়ে নিন

মনে রাখবেন, শুধু অনলাইন আবেদনের স্ক্রিনশট বা এজেন্সির দেখানো PDF অনুমোদনের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। সরকারি পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করুন।

৩. এই লক্ষণগুলো দেখলে টাকা দেওয়া বন্ধ রাখুন

বিপদের লক্ষণ

  • “১০০% ভিসা গ্যারান্টি” বা “কোনো রিজেকশন হয় না”।
  • নিয়োগকর্তার নাম গোপন রাখা।
  • যাচাইয়ের সুযোগ না দিয়ে দ্রুত টাকা দিতে চাপ দেওয়া।
  • শুধু WhatsApp-এ কথা, কিন্তু লিখিত চুক্তি নেই।
  • ভিজিট/ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে কাজ শুরু করতে বলা।
  • অনুমোদন বা রিফান্ডের প্রমাণ না দিয়ে বারবার অতিরিক্ত টাকা চাওয়া।
  • “জর্জিয়া হয়ে ইউরোপ/শেনজেন” — জর্জিয়ার ভিসা ইইউ-তে কাজের অনুমতি দেয় না; অবৈধ পারাপার প্রাণঘাতী।
  • ট্যুরিস্ট/ই-ভিসায় গিয়ে কাজ — ২০২৬ থেকে অনুমতি ছাড়া কাজ করলে জরিমানা।

৪. দালালকে এই মেসেজটি পাঠাতে পারেন

কপি করে WhatsApp বা মেসেজে পাঠান

জর্জিয়ার ওয়ার্ক পারমিট প্রসেস শুরু করার আগে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে চাই: ১. জর্জিয়ার নিয়োগকর্তার কোম্পানির নাম, ঠিকানা ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর কী? ২. চাকরির অফার ও স্বাক্ষরিত চুক্তি কি যাচাই করতে পারব? ৩. ওয়ার্ক পারমিট (রাইট টু ওয়ার্ক) + শ্রম রেসিডেন্স — রাষ্ট্রীয় কর্মসংস্থান সংস্থা-এর জন্য কোন প্রক্রিয়ায় আবেদন হবে? ৪. সরকারি আবেদন নম্বর বা অনলাইনে যাচাই করার প্রমাণ দেবেন কি? ৫. মোট খরচ, ধাপে ধাপে পেমেন্ট এবং ভিসা না হলে রিফান্ডের শর্ত কী? ৬. বাংলাদেশ থেকে আগে আপনাদের মাধ্যমে সফলভাবে জর্জিয়ায় গেছেন—এমন কর্মীর রেফারেন্স দিতে পারবেন কি? সব তথ্য ও চুক্তি যাচাই করার পরই পেমেন্টের সিদ্ধান্ত নেব।

আমাদের পরামর্শ

কোনো এজেন্সিকে টাকা দেওয়ার আগে তাদের নাম, সরকারি লাইসেন্স নম্বর (RL নম্বর), জর্জিয়ার কোম্পানির নাম এবং মোট প্যাকেজের মূল্য সংগ্রহ করুন। এগুলো দিয়ে আপনি নিজে একে একে ঝুঁকি যাচাই করতে পারবেন—অথবা আমাদের পাঠালে আমরা আপনার সঙ্গে যাচাই করব।

এজেন্সি যাচাই করাতে আমাদের জানান