মূল তথ্যে যান
BangladeshJapanফ্রি যাচাই তালিকা

বাংলাদেশ থেকে জাপানে যাওয়ার চেকলিস্ট

বৈধ পথে জাপানে কাজে যেতে চাইলে, কাউকে টাকা দেওয়ার আগে এই তালিকা মিলিয়ে নিন।

জাপান — দক্ষ কর্মী প্রস্তুতি গাইড (SSW)

৳৬৯০

কী পাবেন

  • ১০টি অধ্যায়ে পুরো গাইড
  • সহজ বাংলায় পড়ুন, চাইলে শুনুন
  • একবার কিনলে সারা জীবন পড়তে পারবেন
টাকা ফেরতের নিয়ম

সবচেয়ে জরুরি কথা

চাকরি, নিয়োগকর্তা, ভিসা এবং টাকা জমা দেওয়ার শর্ত স্বাধীনভাবে যাচাই না করে কোনো বড় অঙ্কের টাকা দেবেন না। এজেন্সির লাইসেন্স থাকলেই তাদের জাপানের চাকরির অফারটি বৈধ প্রমাণিত হয় না।

নতুন সতর্কতা

জাপান টেকনিক্যাল ইন্টার্ন প্রোগ্রাম বাতিল করে ১ এপ্রিল ২০২৭ থেকে নতুন “এমপ্লয়মেন্ট ফর স্কিল ডেভেলপমেন্ট” (ইকুসেই শুরো) ব্যবস্থা চালু করছে — এতে শর্তসাপেক্ষে নিয়োগকর্তা বদলানো যাবে। সর্বশেষ নিয়ম দেখে নিন।

এক নজরে এই দেশ

ঝুঁকি: কম (সরকারি/কাঠামোবদ্ধ রুট)
অঞ্চল
এশিয়া
পারমিট / ভিসা
স্পেসিফাইড স্কিলড ওয়ার্কার (SSW) বা টেকনিক্যাল ইন্টার্ন রেসিডেন্স স্ট্যাটাস + সার্টিফিকেট অব এলিজিবিলিটি (CoE)
নিয়োগ যেভাবে হয়
JLPT N4/JFT-Basic ও সেক্টরের স্কিল টেস্ট → নিয়োগকর্তার অফার → জাপানে CoE → ঢাকায় ভিসা → BMET ছাড়পত্র
কোথায় আবেদন
ঢাকায় জাপান দূতাবাস
প্রচলিত মোট খরচ
৳৪–৭ লাখ (আনুমানিক)
প্রচলিত বেতন
JPY ১,৬০,০০০–২,২০,০০০/মাস
সময়
৮–১৪ মাস (ভাষা শেখাসহ)
ভাষা
জাপানি — সাধারণত JLPT N4 বা JFT-Basic প্রয়োজন
প্রচলিত খাত
কেয়ারগিভিং · নির্মাণ · ফুড সার্ভিস · কৃষি · কারখানা

খরচ ও বেতন আমাদের আনুমানিক হিসাব—অফার, কাজ ও সময় অনুযায়ী বদলায়। এটি চাকরি, ভিসা বা বেতনের নিশ্চয়তা নয়।

১. দালালকে টাকা দেওয়ার আগে

যা যাচাই করবেন০/২৬

১. দালাল ও এজেন্সি যাচাই

১. দালাল ও এজেন্সি যাচাই

০/৪
২. জাপানের চাকরি যাচাই

২. জাপানের চাকরি যাচাই

০/৬
৩. ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা

৩. ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা

০/৫
৪. টাকা ও চুক্তি

৪. টাকা ও চুক্তি

০/৬
৫. যাত্রার আগে

৫. যাত্রার আগে

০/৫

আপনার টিক চিহ্ন শুধু এই ফোন বা কম্পিউটারের ব্রাউজারে থাকে।

২. সরকারি ওয়েবসাইটে মিলিয়ে নিন

মনে রাখবেন, শুধু অনলাইন আবেদনের স্ক্রিনশট বা এজেন্সির দেখানো PDF অনুমোদনের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। সরকারি পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করুন।

৩. এই লক্ষণগুলো দেখলে টাকা দেওয়া বন্ধ রাখুন

বিপদের লক্ষণ

  • “১০০% ভিসা গ্যারান্টি” বা “কোনো রিজেকশন হয় না”।
  • নিয়োগকর্তার নাম গোপন রাখা।
  • যাচাইয়ের সুযোগ না দিয়ে দ্রুত টাকা দিতে চাপ দেওয়া।
  • শুধু WhatsApp-এ কথা, কিন্তু লিখিত চুক্তি নেই।
  • ভিজিট/ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে কাজ শুরু করতে বলা।
  • অনুমোদন বা রিফান্ডের প্রমাণ না দিয়ে বারবার অতিরিক্ত টাকা চাওয়া।
  • ভাষা পরীক্ষা ছাড়াই “সরাসরি জাপান” পাঠানোর প্রস্তাব।
  • পাসপোর্ট বা সনদ আটকে রাখা, বা প্রশিক্ষণের নামে অস্বাভাবিক ফি।

৪. দালালকে এই মেসেজটি পাঠাতে পারেন

কপি করে WhatsApp বা মেসেজে পাঠান

জাপানের ওয়ার্ক পারমিট প্রসেস শুরু করার আগে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে চাই: ১. জাপানের নিয়োগকর্তার কোম্পানির নাম, ঠিকানা ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর কী? ২. চাকরির অফার ও স্বাক্ষরিত চুক্তি কি যাচাই করতে পারব? ৩. স্পেসিফাইড স্কিলড ওয়ার্কার (SSW) বা টেকনিক্যাল ইন্টার্ন রেসিডেন্স স্ট্যাটাস + সার্টিফিকেট অব এলিজিবিলিটি (CoE)-এর জন্য কোন প্রক্রিয়ায় আবেদন হবে? ৪. সরকারি আবেদন নম্বর বা অনলাইনে যাচাই করার প্রমাণ দেবেন কি? ৫. মোট খরচ, ধাপে ধাপে পেমেন্ট এবং ভিসা না হলে রিফান্ডের শর্ত কী? ৬. বাংলাদেশ থেকে আগে আপনাদের মাধ্যমে সফলভাবে জাপানে গেছেন—এমন কর্মীর রেফারেন্স দিতে পারবেন কি? সব তথ্য ও চুক্তি যাচাই করার পরই পেমেন্টের সিদ্ধান্ত নেব।

আমাদের পরামর্শ

কোনো এজেন্সিকে টাকা দেওয়ার আগে তাদের নাম, সরকারি লাইসেন্স নম্বর (RL নম্বর), জাপানের কোম্পানির নাম এবং মোট প্যাকেজের মূল্য সংগ্রহ করুন। এগুলো দিয়ে আপনি নিজে একে একে ঝুঁকি যাচাই করতে পারবেন—অথবা আমাদের পাঠালে আমরা আপনার সঙ্গে যাচাই করব।

এজেন্সি যাচাই করাতে আমাদের জানান
কী পাবেন?