মূল তথ্যে যান
BangladeshLaosফ্রি যাচাই তালিকা

বাংলাদেশ থেকে লাওসে যাওয়ার চেকলিস্ট

বৈধ পথে লাওসে কাজে যেতে চাইলে, কাউকে টাকা দেওয়ার আগে এই তালিকা মিলিয়ে নিন।

সবচেয়ে জরুরি কথা

চাকরি, নিয়োগকর্তা, ভিসা এবং টাকা জমা দেওয়ার শর্ত স্বাধীনভাবে যাচাই না করে কোনো বড় অঙ্কের টাকা দেবেন না। এজেন্সির লাইসেন্স থাকলেই তাদের লাওসের চাকরির অফারটি বৈধ প্রমাণিত হয় না।

নতুন সতর্কতা

লাওস সরকার ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশিদের নতুন ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা (LA-B2) বন্ধ রেখেছে; প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত লাওসে না যেতে বলেছে। এখন কেউ “লাওস ভিসা” বিক্রি করলে তা প্রতারণা। যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৫ সালের পাচার প্রতিবেদনে লাওস সর্বনিম্ন স্তরে (টিয়ার ৩)।

এক নজরে এই দেশ

ঝুঁকি: বেশি — প্রতারণার অভিযোগ বেশি
অঞ্চল
এশিয়া
পারমিট / ভিসা
ওয়ার্ক ভিসা + ওয়ার্ক পারমিট (শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়)
নিয়োগ যেভাবে হয়
নিয়োগকর্তা ওয়ার্ক পারমিটের ব্যবস্থা করেন → ওয়ার্ক ভিসা → দূতাবাসে পুরো যাচাই → BMET ছাড়পত্র
কোথায় আবেদন
এখন নতুন আবেদন বন্ধ। পরে চালু হলে কোন পথে ওয়ার্ক ভিসার (LA-B2) আবেদন হবে তা আগে লিখিতভাবে নিশ্চিত করুন
প্রচলিত মোট খরচ
৳৩–৫.৫ লাখ (আনুমানিক)
প্রচলিত বেতন
USD ২০০–৪০০/মাস (দাবি করা হয়; লিখিত চুক্তি ছাড়া বিশ্বাস করবেন না)
সময়
১–৩ মাস
ভাষা
ইংরেজির মৌলিক ধারণা সহায়ক
প্রচলিত খাত
নির্মাণ · কৃষি

খরচ ও বেতন আমাদের আনুমানিক হিসাব—অফার, কাজ ও সময় অনুযায়ী বদলায়। এটি চাকরি, ভিসা বা বেতনের নিশ্চয়তা নয়।

১. দালালকে টাকা দেওয়ার আগে

যা যাচাই করবেন০/২৭

১. দালাল ও এজেন্সি যাচাই

১. দালাল ও এজেন্সি যাচাই

০/৪
২. লাওসের চাকরি যাচাই

২. লাওসের চাকরি যাচাই

০/৬
৩. ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা

৩. ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা

০/৬
৪. টাকা ও চুক্তি

৪. টাকা ও চুক্তি

০/৬
৫. যাত্রার আগে

৫. যাত্রার আগে

০/৫

আপনার টিক চিহ্ন শুধু এই ফোন বা কম্পিউটারের ব্রাউজারে থাকে।

২. সরকারি ওয়েবসাইটে মিলিয়ে নিন

মনে রাখবেন, শুধু অনলাইন আবেদনের স্ক্রিনশট বা এজেন্সির দেখানো PDF অনুমোদনের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। সরকারি পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করুন।

৩. এই লক্ষণগুলো দেখলে টাকা দেওয়া বন্ধ রাখুন

বিপদের লক্ষণ

  • “১০০% ভিসা গ্যারান্টি” বা “কোনো রিজেকশন হয় না”।
  • নিয়োগকর্তার নাম গোপন রাখা।
  • যাচাইয়ের সুযোগ না দিয়ে দ্রুত টাকা দিতে চাপ দেওয়া।
  • শুধু WhatsApp-এ কথা, কিন্তু লিখিত চুক্তি নেই।
  • ভিজিট/ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে কাজ শুরু করতে বলা।
  • অনুমোদন বা রিফান্ডের প্রমাণ না দিয়ে বারবার অতিরিক্ত টাকা চাওয়া।
  • “অনলাইন মার্কেটিং / কাস্টমার সার্ভিস / কম্পিউটার কাজ” বেশি বেতনে — প্রতারণা কেন্দ্রের টোপ।
  • ই-ভিসা বা ট্যুরিস্ট ভিসায় পাঠিয়ে “গিয়ে পারমিট হবে” বলা।

৪. দালালকে এই মেসেজটি পাঠাতে পারেন

কপি করে WhatsApp বা মেসেজে পাঠান

লাওসের ওয়ার্ক পারমিট প্রসেস শুরু করার আগে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে চাই: ১. লাওসের নিয়োগকর্তার কোম্পানির নাম, ঠিকানা ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর কী? ২. চাকরির অফার ও স্বাক্ষরিত চুক্তি কি যাচাই করতে পারব? ৩. ওয়ার্ক ভিসা + ওয়ার্ক পারমিট (শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়)-এর জন্য কোন প্রক্রিয়ায় আবেদন হবে? ৪. সরকারি আবেদন নম্বর বা অনলাইনে যাচাই করার প্রমাণ দেবেন কি? ৫. মোট খরচ, ধাপে ধাপে পেমেন্ট এবং ভিসা না হলে রিফান্ডের শর্ত কী? ৬. বাংলাদেশ থেকে আগে আপনাদের মাধ্যমে সফলভাবে লাওসে গেছেন—এমন কর্মীর রেফারেন্স দিতে পারবেন কি? সব তথ্য ও চুক্তি যাচাই করার পরই পেমেন্টের সিদ্ধান্ত নেব।

আমাদের পরামর্শ

কোনো এজেন্সিকে টাকা দেওয়ার আগে তাদের নাম, সরকারি লাইসেন্স নম্বর (RL নম্বর), লাওসের কোম্পানির নাম এবং মোট প্যাকেজের মূল্য সংগ্রহ করুন। এগুলো দিয়ে আপনি নিজে একে একে ঝুঁকি যাচাই করতে পারবেন—অথবা আমাদের পাঠালে আমরা আপনার সঙ্গে যাচাই করব।

এজেন্সি যাচাই করাতে আমাদের জানান