মূল তথ্যে যান
BangladeshMalaysiaফ্রি যাচাই তালিকা

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার চেকলিস্ট

বৈধ পথে মালয়েশিয়ায় কাজে যেতে চাইলে, কাউকে টাকা দেওয়ার আগে এই তালিকা মিলিয়ে নিন।

সবচেয়ে জরুরি কথা

চাকরি, নিয়োগকর্তা, ভিসা এবং টাকা জমা দেওয়ার শর্ত স্বাধীনভাবে যাচাই না করে কোনো বড় অঙ্কের টাকা দেবেন না। এজেন্সির লাইসেন্স থাকলেই তাদের মালয়েশিয়ার চাকরির অফারটি বৈধ প্রমাণিত হয় না।

নতুন সতর্কতা

জুন ২০২৪ থেকে বন্ধ থাকার পর অক্টোবর ২০২৬-এ নিয়োগ আবার শুরু হয়েছে — শুধু তালিকাভুক্ত ৩৩৮টি এজেন্সির মাধ্যমে (BOESL, ২৫টি প্রসেসিং ও ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সি)। ১০,০০০ কর্মী বিনা খরচে নেওয়ার নীতিগত সমঝোতা হয়েছে; নতুন সরকার-নির্ধারিত খরচ এখনও ঘোষণা হয়নি (এখানে দেখানো ৭৮,৯৯০ টাকা আগের দফার)। এজেন্সি তালিকা, খরচ ও অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার BMET/মন্ত্রণালয়ে যাচাই না করে টাকা বা পাসপোর্ট দেবেন না।

এক নজরে এই দেশ

ঝুঁকি: বেশি — প্রতারণার অভিযোগ বেশি
অঞ্চল
এশিয়া
পারমিট / ভিসা
অস্থায়ী কাজের পাস (সরকারি নাম: Temporary Employment Visit Pass বা PLKS) — নিয়োগকর্তার কোটা অনুমোদন সাপেক্ষে
নিয়োগ যেভাবে হয়
নিয়োগকর্তার কোটা অনুমোদন → ডিমান্ড লেটার সত্যায়ন → মেডিকেল ও ভিসার অনুমোদন → BMET ছাড়পত্র → পৌঁছে অস্থায়ী কাজের পাস
কোথায় আবেদন
ঢাকায় মালয়েশিয়ান হাইকমিশন/ভিসা সেন্টার
প্রচলিত মোট খরচ
৳৪–৬ লাখ (আনুমানিক)
সরকার-নির্ধারিত খরচ
৳৭৮,৯৯০ (সরকার-নির্ধারিত সর্বোচ্চ — সর্বশেষ অঙ্ক যাচাই করুন)
প্রচলিত বেতন
MYR ১,৭০০–২,৫০০/মাস (ন্যূনতম মজুরি MYR ১,৭০০; জুন ২০২৭ থেকে বড় কোম্পানিতে MYR ২,০০০ ঘোষিত)
সময়
৩–৬ মাস
ভাষা
মালয় বা ইংরেজির মৌলিক ধারণা সহায়ক
প্রচলিত খাত
নির্মাণ · কারখানা · প্ল্যান্টেশন · সেবাখাত

খরচ ও বেতন আমাদের আনুমানিক হিসাব—অফার, কাজ ও সময় অনুযায়ী বদলায়। এটি চাকরি, ভিসা বা বেতনের নিশ্চয়তা নয়।

১. দালালকে টাকা দেওয়ার আগে

যা যাচাই করবেন০/২৬

১. দালাল ও এজেন্সি যাচাই

১. দালাল ও এজেন্সি যাচাই

০/৪
২. মালয়েশিয়ার চাকরি যাচাই

২. মালয়েশিয়ার চাকরি যাচাই

০/৬
৩. ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা

৩. ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা

০/৫
৪. টাকা ও চুক্তি

৪. টাকা ও চুক্তি

০/৬
৫. যাত্রার আগে

৫. যাত্রার আগে

০/৫

আপনার টিক চিহ্ন শুধু এই ফোন বা কম্পিউটারের ব্রাউজারে থাকে।

২. সরকারি ওয়েবসাইটে মিলিয়ে নিন

মনে রাখবেন, শুধু অনলাইন আবেদনের স্ক্রিনশট বা এজেন্সির দেখানো PDF অনুমোদনের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। সরকারি পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করুন।

৩. এই লক্ষণগুলো দেখলে টাকা দেওয়া বন্ধ রাখুন

বিপদের লক্ষণ

  • “১০০% ভিসা গ্যারান্টি” বা “কোনো রিজেকশন হয় না”।
  • নিয়োগকর্তার নাম গোপন রাখা।
  • যাচাইয়ের সুযোগ না দিয়ে দ্রুত টাকা দিতে চাপ দেওয়া।
  • শুধু WhatsApp-এ কথা, কিন্তু লিখিত চুক্তি নেই।
  • ভিজিট/ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে কাজ শুরু করতে বলা।
  • অনুমোদন বা রিফান্ডের প্রমাণ না দিয়ে বারবার অতিরিক্ত টাকা চাওয়া।
  • “সিন্ডিকেট”-এর নামে সরকার-নির্ধারিত খরচের কয়েকগুণ দাবি।
  • পৌঁছানোর পর কাজ নেই — আগে কোম্পানির প্রকৃত চাহিদা যাচাই করুন।

৪. দালালকে এই মেসেজটি পাঠাতে পারেন

কপি করে WhatsApp বা মেসেজে পাঠান

মালয়েশিয়ার ওয়ার্ক পারমিট প্রসেস শুরু করার আগে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে চাই: ১. মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তার কোম্পানির নাম, ঠিকানা ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর কী? ২. চাকরির অফার ও স্বাক্ষরিত চুক্তি কি যাচাই করতে পারব? ৩. অস্থায়ী কাজের পাস (সরকারি নাম: Temporary Employment Visit Pass বা PLKS) — নিয়োগকর্তার কোটা অনুমোদন সাপেক্ষে-এর জন্য কোন প্রক্রিয়ায় আবেদন হবে? ৪. সরকারি আবেদন নম্বর বা অনলাইনে যাচাই করার প্রমাণ দেবেন কি? ৫. মোট খরচ, ধাপে ধাপে পেমেন্ট এবং ভিসা না হলে রিফান্ডের শর্ত কী? ৬. বাংলাদেশ থেকে আগে আপনাদের মাধ্যমে সফলভাবে মালয়েশিয়ায় গেছেন—এমন কর্মীর রেফারেন্স দিতে পারবেন কি? সব তথ্য ও চুক্তি যাচাই করার পরই পেমেন্টের সিদ্ধান্ত নেব।

আমাদের পরামর্শ

কোনো এজেন্সিকে টাকা দেওয়ার আগে তাদের নাম, সরকারি লাইসেন্স নম্বর (RL নম্বর), মালয়েশিয়ার কোম্পানির নাম এবং মোট প্যাকেজের মূল্য সংগ্রহ করুন। এগুলো দিয়ে আপনি নিজে একে একে ঝুঁকি যাচাই করতে পারবেন—অথবা আমাদের পাঠালে আমরা আপনার সঙ্গে যাচাই করব।

এজেন্সি যাচাই করাতে আমাদের জানান