মূল তথ্যে যান
BangladeshSerbiaফ্রি যাচাই তালিকা

বাংলাদেশ থেকে সার্বিয়ায় যাওয়ার চেকলিস্ট

বৈধ পথে সার্বিয়ায় কাজে যেতে চাইলে, কাউকে টাকা দেওয়ার আগে এই তালিকা মিলিয়ে নিন।

সার্বিয়া ওয়ার্ক পারমিট

৳৬০০

কী পাবেন

  • ১০টি অধ্যায়ে পুরো গাইড
  • সহজ বাংলায় পড়ুন, চাইলে শুনুন
  • একবার কিনলে সারা জীবন পড়তে পারবেন
টাকা ফেরতের নিয়ম

সবচেয়ে জরুরি কথা

চাকরি, নিয়োগকর্তা, ভিসা এবং টাকা জমা দেওয়ার শর্ত স্বাধীনভাবে যাচাই না করে কোনো বড় অঙ্কের টাকা দেবেন না। এজেন্সির লাইসেন্স থাকলেই তাদের সার্বিয়ার চাকরির অফারটি বৈধ প্রমাণিত হয় না।

এক নজরে এই দেশ

ঝুঁকি: মাঝারি — যাচাই জরুরি
অঞ্চল
ইইউ-র বাইরের ইউরোপ
পারমিট / ভিসা
D ভিসা ও Single Permit (একক কাজ ও বসবাসের অনুমতি)
নিয়োগ যেভাবে হয়
নিয়োগকর্তার চুক্তি → Welcome to Serbia পোর্টালে Single Permit আবেদন → দূতাবাসে D ভিসা → BMET ছাড়পত্র → পৌঁছে নিবন্ধন
কোথায় আবেদন
নয়াদিল্লির সার্বিয়ান দূতাবাস (বাংলাদেশে দূতাবাস নেই)
প্রচলিত মোট খরচ
৳৫–৮ লাখ (আনুমানিক)
প্রচলিত বেতন
RSD ৬২,০০০–৮৫,০০০/মাস (নিট); ২০২৬-এ আইনি ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় RSD ৩৭১ (নিট)
সময়
৩–৬ মাস
ভাষা
ইংরেজি সহায়ক; সার্বিয়ান মৌলিক শব্দ কাজে লাগে
প্রচলিত খাত
নির্মাণ · কারখানা · ডেলিভারি · হসপিটালিটি

খরচ ও বেতন আমাদের আনুমানিক হিসাব—অফার, কাজ ও সময় অনুযায়ী বদলায়। এটি চাকরি, ভিসা বা বেতনের নিশ্চয়তা নয়।

১. দালালকে টাকা দেওয়ার আগে

যা যাচাই করবেন০/২৬

১. দালাল ও এজেন্সি যাচাই

১. দালাল ও এজেন্সি যাচাই

০/৪
২. সার্বিয়ার চাকরি যাচাই

২. সার্বিয়ার চাকরি যাচাই

০/৬
৩. ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা

৩. ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা

০/৫
৪. টাকা ও চুক্তি

৪. টাকা ও চুক্তি

০/৬
৫. যাত্রার আগে

৫. যাত্রার আগে

০/৫

আপনার টিক চিহ্ন শুধু এই ফোন বা কম্পিউটারের ব্রাউজারে থাকে।

২. সরকারি ওয়েবসাইটে মিলিয়ে নিন

মনে রাখবেন, শুধু অনলাইন আবেদনের স্ক্রিনশট বা এজেন্সির দেখানো PDF অনুমোদনের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। সরকারি পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করুন।

৩. এই লক্ষণগুলো দেখলে টাকা দেওয়া বন্ধ রাখুন

বিপদের লক্ষণ

  • “১০০% ভিসা গ্যারান্টি” বা “কোনো রিজেকশন হয় না”।
  • নিয়োগকর্তার নাম গোপন রাখা।
  • যাচাইয়ের সুযোগ না দিয়ে দ্রুত টাকা দিতে চাপ দেওয়া।
  • শুধু WhatsApp-এ কথা, কিন্তু লিখিত চুক্তি নেই।
  • ভিজিট/ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে কাজ শুরু করতে বলা।
  • অনুমোদন বা রিফান্ডের প্রমাণ না দিয়ে বারবার অতিরিক্ত টাকা চাওয়া।
  • সার্বিয়া থেকে “শেনজেন/ইউরোপে পার করে দেওয়া” — অবৈধ ও প্রাণঘাতী ঝুঁকি।
  • দালালের দেওয়া ওয়ার্ক পারমিট বা ভিসা স্টিকার — ২০২৫ সালে বাংলাদেশিদের অনেক জাল কাগজ ধরা পড়েছে; Welcome to Serbia/দূতাবাসে নিজে যাচাই করুন।

৪. দালালকে এই মেসেজটি পাঠাতে পারেন

কপি করে WhatsApp বা মেসেজে পাঠান

সার্বিয়ার ওয়ার্ক পারমিট প্রসেস শুরু করার আগে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে চাই: ১. সার্বিয়ার নিয়োগকর্তার কোম্পানির নাম, ঠিকানা ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর কী? ২. চাকরির অফার ও স্বাক্ষরিত চুক্তি কি যাচাই করতে পারব? ৩. D ভিসা ও Single Permit (একক কাজ ও বসবাসের অনুমতি)-এর জন্য কোন প্রক্রিয়ায় আবেদন হবে? ৪. সরকারি আবেদন নম্বর বা অনলাইনে যাচাই করার প্রমাণ দেবেন কি? ৫. মোট খরচ, ধাপে ধাপে পেমেন্ট এবং ভিসা না হলে রিফান্ডের শর্ত কী? ৬. বাংলাদেশ থেকে আগে আপনাদের মাধ্যমে সফলভাবে সার্বিয়ায় গেছেন—এমন কর্মীর রেফারেন্স দিতে পারবেন কি? সব তথ্য ও চুক্তি যাচাই করার পরই পেমেন্টের সিদ্ধান্ত নেব।

আমাদের পরামর্শ

কোনো এজেন্সিকে টাকা দেওয়ার আগে তাদের নাম, সরকারি লাইসেন্স নম্বর (RL নম্বর), সার্বিয়ার কোম্পানির নাম এবং মোট প্যাকেজের মূল্য সংগ্রহ করুন। এগুলো দিয়ে আপনি নিজে একে একে ঝুঁকি যাচাই করতে পারবেন—অথবা আমাদের পাঠালে আমরা আপনার সঙ্গে যাচাই করব।

এজেন্সি যাচাই করাতে আমাদের জানান
কী পাবেন?