বাংলাদেশ থেকে সুইজারল্যান্ডে যাওয়ার চেকলিস্ট
বৈধ পথে সুইজারল্যান্ডে কাজে যেতে চাইলে, কাউকে টাকা দেওয়ার আগে এই তালিকা মিলিয়ে নিন।

সবচেয়ে জরুরি কথা
চাকরি, নিয়োগকর্তা, ভিসা এবং টাকা জমা দেওয়ার শর্ত স্বাধীনভাবে যাচাই না করে কোনো বড় অঙ্কের টাকা দেবেন না। এজেন্সির লাইসেন্স থাকলেই তাদের সুইজারল্যান্ডের চাকরির অফারটি বৈধ প্রমাণিত হয় না।
নতুন সতর্কতা
সুইজারল্যান্ড ইইউ-র বাইরের দেশ থেকে শুধু উচ্চ দক্ষ কর্মী নেয়, তাও কোটায়। সাধারণ কাজের “ভিসা” প্রস্তাব প্রায় নিশ্চিতভাবে প্রতারণা।
এক নজরে এই দেশ
ঝুঁকি: বেশি — প্রতারণার অভিযোগ বেশি- অঞ্চল
- ইইউ-র বাইরের ইউরোপ · শেনজেন
- পারমিট / ভিসা
- L/B পারমিট (ক্যান্টন + SEM অনুমোদন, কোটা) → D ভিসা
- নিয়োগ যেভাবে হয়
- নিয়োগকর্তা প্রমাণ করেন সুইস/ইইউ কর্মী নেই → ক্যান্টনের অভিবাসন অফিসে আবেদন → SEM অনুমোদন ও কোটা → ঢাকার সুইস দূতাবাসে D ভিসা → BMET ছাড়পত্র
- কোথায় আবেদন
- ঢাকার সুইস দূতাবাস (ইমেইলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট; লিখটেনস্টাইনও এখানে)
- প্রচলিত মোট খরচ
- ৳৫–১২ লাখ (আনুমানিক)
- প্রচলিত বেতন
- জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নেই (কয়েকটি ক্যান্টনে আছে); আনুমানিক CHF ৪,০০০–৫,৫০০/মাস (গ্রস) — খরচও খুব বেশি
- সময়
- ৬–১২ মাস
- ভাষা
- জার্মান, ফরাসি বা ইতালিয়ান (অঞ্চলভেদে)
- প্রচলিত খাত
- আইটি/ইঞ্জিনিয়ারিং · গবেষণা · স্বাস্থ্য (উচ্চ দক্ষ)
খরচ ও বেতন আমাদের আনুমানিক হিসাব—অফার, কাজ ও সময় অনুযায়ী বদলায়। এটি চাকরি, ভিসা বা বেতনের নিশ্চয়তা নয়।
১. দালালকে টাকা দেওয়ার আগে
যা যাচাই করবেন০/২৭
আপনার টিক চিহ্ন শুধু এই ফোন বা কম্পিউটারের ব্রাউজারে থাকে।
২. সরকারি ওয়েবসাইটে মিলিয়ে নিন
বাংলাদেশ
- BMETলাইসেন্সপ্রাপ্ত রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা, এজেন্সির সরকারি লাইসেন্স নম্বর (RL নম্বর), স্ট্যাটাস ও মেয়াদ; বহির্গমন ছাড়পত্রbmet.gov.bd
- Ami Probashiকর্মী নিবন্ধন, BMET ক্লিয়ারেন্স ও স্মার্ট কার্ডের অনলাইন প্রক্রিয়াwww.amiprobashi.com
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সরকার-নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয়, নোটিশ ও অভিযোগের তথ্যprobashi.gov.bd
- BOESLসরকারি রিক্রুটিং প্রতিষ্ঠান — G2G (যেমন কোরিয়া EPS, জাপান) বিজ্ঞপ্তিboesl.gov.bd
মনে রাখবেন, শুধু অনলাইন আবেদনের স্ক্রিনশট বা এজেন্সির দেখানো PDF অনুমোদনের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। সরকারি পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করুন।
৩. এই লক্ষণগুলো দেখলে টাকা দেওয়া বন্ধ রাখুন
বিপদের লক্ষণ
- “১০০% ভিসা গ্যারান্টি” বা “কোনো রিজেকশন হয় না”।
- নিয়োগকর্তার নাম গোপন রাখা।
- যাচাইয়ের সুযোগ না দিয়ে দ্রুত টাকা দিতে চাপ দেওয়া।
- শুধু WhatsApp-এ কথা, কিন্তু লিখিত চুক্তি নেই।
- ভিজিট/ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে কাজ শুরু করতে বলা।
- অনুমোদন বা রিফান্ডের প্রমাণ না দিয়ে বারবার অতিরিক্ত টাকা চাওয়া।
- “সুইজারল্যান্ডে হোটেল/ফার্মের কাজ” — ইইউ-র বাইরের সাধারণ কর্মীর জন্য অনুমতি প্রায় হয় না।
- শেনজেন ভিজিট ভিসাকে কাজের ভিসা বলে বিক্রি।
৪. দালালকে এই মেসেজটি পাঠাতে পারেন
কপি করে WhatsApp বা মেসেজে পাঠান
সুইজারল্যান্ডের ওয়ার্ক পারমিট প্রসেস শুরু করার আগে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে চাই: ১. সুইজারল্যান্ডের নিয়োগকর্তার কোম্পানির নাম, ঠিকানা ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর কী? ২. চাকরির অফার ও স্বাক্ষরিত চুক্তি কি যাচাই করতে পারব? ৩. L/B পারমিট (ক্যান্টন + SEM অনুমোদন, কোটা) → D ভিসা-এর জন্য কোন প্রক্রিয়ায় আবেদন হবে? ৪. সরকারি আবেদন নম্বর বা অনলাইনে যাচাই করার প্রমাণ দেবেন কি? ৫. মোট খরচ, ধাপে ধাপে পেমেন্ট এবং ভিসা না হলে রিফান্ডের শর্ত কী? ৬. বাংলাদেশ থেকে আগে আপনাদের মাধ্যমে সফলভাবে সুইজারল্যান্ডে গেছেন—এমন কর্মীর রেফারেন্স দিতে পারবেন কি? সব তথ্য ও চুক্তি যাচাই করার পরই পেমেন্টের সিদ্ধান্ত নেব।
আমাদের পরামর্শ
কোনো এজেন্সিকে টাকা দেওয়ার আগে তাদের নাম, সরকারি লাইসেন্স নম্বর (RL নম্বর), সুইজারল্যান্ডের কোম্পানির নাম এবং মোট প্যাকেজের মূল্য সংগ্রহ করুন। এগুলো দিয়ে আপনি নিজে একে একে ঝুঁকি যাচাই করতে পারবেন—অথবা আমাদের পাঠালে আমরা আপনার সঙ্গে যাচাই করব।
এজেন্সি যাচাই করাতে আমাদের জানান