মূল তথ্যে যান
BangladeshUnited Statesফ্রি যাচাই তালিকা

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার চেকলিস্ট

বৈধ পথে যুক্তরাষ্ট্রে কাজে যেতে চাইলে, কাউকে টাকা দেওয়ার আগে এই তালিকা মিলিয়ে নিন।

সবচেয়ে জরুরি কথা

চাকরি, নিয়োগকর্তা, ভিসা এবং টাকা জমা দেওয়ার শর্ত স্বাধীনভাবে যাচাই না করে কোনো বড় অঙ্কের টাকা দেবেন না। এজেন্সির লাইসেন্স থাকলেই তাদের যুক্তরাষ্ট্রের চাকরির অফারটি বৈধ প্রমাণিত হয় না।

নতুন সতর্কতা

জানুয়ারি ২০২৫ থেকে H-2 ভিসায় দেশভিত্তিক তালিকা আর লাগে না, তবুও এই ভিসা খুবই সীমিত এবং নিয়োগকর্তা নিজে খরচ বহন করেন। ২০২৬ সালে বাংলাদেশিদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু স্থগিত ও ভিজিট ভিসায় জামানত (বন্ড) চালু হয়েছে — বর্তমান অবস্থা দূতাবাসের ওয়েবসাইটে দেখুন।

এক নজরে এই দেশ

ঝুঁকি: বেশি — প্রতারণার অভিযোগ বেশি
অঞ্চল
আমেরিকা ও ওশেনিয়া
পারমিট / ভিসা
H-2A (কৃষি) বা H-2B (অ-কৃষি) অস্থায়ী মৌসুমি ভিসা
নিয়োগ যেভাবে হয়
নিয়োগকর্তা শ্রম দপ্তর (DOL) থেকে লেবার সার্টিফিকেশন নেন → USCIS-এ I-129 আবেদন → ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে ভিসা সাক্ষাৎকার → BMET ছাড়পত্র
কোথায় আবেদন
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে সাক্ষাৎকার
প্রচলিত মোট খরচ
৳১–৪ লাখ (আনুমানিক)
প্রচলিত বেতন
প্রায় USD ১২–২০/ঘণ্টা — রাজ্য ও কাজভেদে সরকার-নির্ধারিত মজুরি আলাদা; সঠিক হার SeasonalJobs.dol.gov-এর চাকরির বিজ্ঞাপনে দেখুন
সময়
৪–৮ মাস
ভাষা
ইংরেজি দরকার
প্রচলিত খাত
কৃষি (H-2A) · ল্যান্ডস্কেপিং (H-2B) · হোটেল ও রিসোর্ট (H-2B) · মাছ/মাংস প্রক্রিয়াকরণ (H-2B)

খরচ ও বেতন আমাদের আনুমানিক হিসাব—অফার, কাজ ও সময় অনুযায়ী বদলায়। এটি চাকরি, ভিসা বা বেতনের নিশ্চয়তা নয়।

১. দালালকে টাকা দেওয়ার আগে

যা যাচাই করবেন০/২৭

১. দালাল ও এজেন্সি যাচাই

১. দালাল ও এজেন্সি যাচাই

০/৪
২. যুক্তরাষ্ট্রের চাকরি যাচাই

২. যুক্তরাষ্ট্রের চাকরি যাচাই

০/৬
৩. ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা

৩. ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা

০/৬
৪. টাকা ও চুক্তি

৪. টাকা ও চুক্তি

০/৬
৫. যাত্রার আগে

৫. যাত্রার আগে

০/৫

আপনার টিক চিহ্ন শুধু এই ফোন বা কম্পিউটারের ব্রাউজারে থাকে।

২. সরকারি ওয়েবসাইটে মিলিয়ে নিন

মনে রাখবেন, শুধু অনলাইন আবেদনের স্ক্রিনশট বা এজেন্সির দেখানো PDF অনুমোদনের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। সরকারি পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করুন।

৩. এই লক্ষণগুলো দেখলে টাকা দেওয়া বন্ধ রাখুন

বিপদের লক্ষণ

  • “১০০% ভিসা গ্যারান্টি” বা “কোনো রিজেকশন হয় না”।
  • নিয়োগকর্তার নাম গোপন রাখা।
  • যাচাইয়ের সুযোগ না দিয়ে দ্রুত টাকা দিতে চাপ দেওয়া।
  • শুধু WhatsApp-এ কথা, কিন্তু লিখিত চুক্তি নেই।
  • ভিজিট/ট্যুরিস্ট ভিসায় গিয়ে কাজ শুরু করতে বলা।
  • অনুমোদন বা রিফান্ডের প্রমাণ না দিয়ে বারবার অতিরিক্ত টাকা চাওয়া।
  • H-2 চাকরির জন্য নিয়োগ ফি চাওয়া — মার্কিন আইনে কর্মীর কাছ থেকে এমন ফি নেওয়া নিষিদ্ধ।
  • ডিভি লটারির ফর্ম বিক্রি — বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া মানুষ ডিভি লটারিতে অংশ নিতে পারেন না; এটি কাজের ভিসাও নয়।
  • ব্রাজিল/মেক্সিকো হয়ে “ডাংকি” পথে আমেরিকা নেওয়ার প্রস্তাব — ৪৫–৭০ লাখ টাকা খরচ করে অনেকে আটক ও ফেরত হচ্ছেন।

৪. দালালকে এই মেসেজটি পাঠাতে পারেন

কপি করে WhatsApp বা মেসেজে পাঠান

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ক পারমিট প্রসেস শুরু করার আগে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে চাই: ১. যুক্তরাষ্ট্রের নিয়োগকর্তার কোম্পানির নাম, ঠিকানা ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর কী? ২. চাকরির অফার ও স্বাক্ষরিত চুক্তি কি যাচাই করতে পারব? ৩. H-2A (কৃষি) বা H-2B (অ-কৃষি) অস্থায়ী মৌসুমি ভিসা-এর জন্য কোন প্রক্রিয়ায় আবেদন হবে? ৪. সরকারি আবেদন নম্বর বা অনলাইনে যাচাই করার প্রমাণ দেবেন কি? ৫. মোট খরচ, ধাপে ধাপে পেমেন্ট এবং ভিসা না হলে রিফান্ডের শর্ত কী? ৬. বাংলাদেশ থেকে আগে আপনাদের মাধ্যমে সফলভাবে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন—এমন কর্মীর রেফারেন্স দিতে পারবেন কি? সব তথ্য ও চুক্তি যাচাই করার পরই পেমেন্টের সিদ্ধান্ত নেব।

আমাদের পরামর্শ

কোনো এজেন্সিকে টাকা দেওয়ার আগে তাদের নাম, সরকারি লাইসেন্স নম্বর (RL নম্বর), যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানির নাম এবং মোট প্যাকেজের মূল্য সংগ্রহ করুন। এগুলো দিয়ে আপনি নিজে একে একে ঝুঁকি যাচাই করতে পারবেন—অথবা আমাদের পাঠালে আমরা আপনার সঙ্গে যাচাই করব।

এজেন্সি যাচাই করাতে আমাদের জানান